হোম › সূরাসমূহ › সূরা Nooh
সূরা Nooh نوح
২৮ আয়াত · মক্কি · নাযিলের ক্রম ৭১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ إِنَّآ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦٓ أَنْ أَنذِرْ قَوْمَكَ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
Muhiuddin Khan আমি নূহকে প্রেরণ করেছিলাম তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতি একথা বলেঃ তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের প্রতি মর্মন্তদ শাস্তি আসার আগে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
قَالَ يَٰقَوْمِ إِنِّى لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
Muhiuddin Khan সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের জন্যে স্পষ্ট সতর্ককারী।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ
Muhiuddin Khan এ বিষয়ে যে, তোমরা আল্লাহ তা’আলার এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
يَغْفِرْ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى إِنَّ أَجَلَ ٱللَّهِ إِذَا جَآءَ لَا يُؤَخَّرُ لَوْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
Muhiuddin Khan আল্লাহ তা’আলা তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলার নির্দিষ্টকাল যখন হবে, তখন অবকাশ দেয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে!
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
قَالَ رَبِّ إِنِّى دَعَوْتُ قَوْمِى لَيْلًا وَنَهَارًا
Muhiuddin Khan সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি দাওয়াত দিয়েছি;
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
فَلَمْ يَزِدْهُمْ دُعَآءِىٓ إِلَّا فِرَارًا
Muhiuddin Khan কিন্তু আমার দাওয়াত তাদের পলায়নকেই বৃদ্ধি করেছে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَإِنِّى كُلَّمَا دَعَوْتُهُمْ لِتَغْفِرَ لَهُمْ جَعَلُوٓا۟ أَصَٰبِعَهُمْ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَٱسْتَغْشَوْا۟ ثِيَابَهُمْ وَأَصَرُّوا۟ وَٱسْتَكْبَرُوا۟ ٱسْتِكْبَارًا
Muhiuddin Khan আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, ততবারই তারা কানে অঙ্গুলি দিয়েছে, মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে, জেদ করেছে এবং খুব ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
ثُمَّ إِنِّى دَعَوْتُهُمْ جِهَارًا
Muhiuddin Khan অতঃপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
ثُمَّ إِنِّىٓ أَعْلَنتُ لَهُمْ وَأَسْرَرْتُ لَهُمْ إِسْرَارًا
Muhiuddin Khan অতঃপর আমি ঘোষণা সহকারে প্রচার করেছি এবং গোপনে চুপিসারে বলেছি।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
فَقُلْتُ ٱسْتَغْفِرُوا۟ رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًا
Muhiuddin Khan অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
يُرْسِلِ ٱلسَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
Muhiuddin Khan তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন,
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَٰرًا
Muhiuddin Khan তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
مَّا لَكُمْ لَا تَرْجُونَ لِلَّهِ وَقَارًا
Muhiuddin Khan তোমাদের কি হল যে, তোমরা আল্লাহ তা’আলার শ্রেষ্টত্ব আশা করছ না।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَقَدْ خَلَقَكُمْ أَطْوَارًا
Muhiuddin Khan অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করেছেন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
أَلَمْ تَرَوْا۟ كَيْفَ خَلَقَ ٱللَّهُ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا
Muhiuddin Khan তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَجَعَلَ ٱلْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ ٱلشَّمْسَ سِرَاجًا
Muhiuddin Khan এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَٱللَّهُ أَنۢبَتَكُم مِّنَ ٱلْأَرْضِ نَبَاتًا
Muhiuddin Khan আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগত করেছেন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
ثُمَّ يُعِيدُكُمْ فِيهَا وَيُخْرِجُكُمْ إِخْرَاجًا
Muhiuddin Khan অতঃপর তাতে ফিরিয়ে নিবেন এবং আবার পুনরুত্থিত করবেন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ بِسَاطًا
Muhiuddin Khan আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিছানা।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
لِّتَسْلُكُوا۟ مِنْهَا سُبُلًا فِجَاجًا
Muhiuddin Khan যাতে তোমরা চলাফেরা কর প্রশস্ত পথে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
قَالَ نُوحٌ رَّبِّ إِنَّهُمْ عَصَوْنِى وَٱتَّبَعُوا۟ مَن لَّمْ يَزِدْهُ مَالُهُۥ وَوَلَدُهُۥٓ إِلَّا خَسَارًا
Muhiuddin Khan নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে, যার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বৃদ্ধি করছে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَمَكَرُوا۟ مَكْرًا كُبَّارًا
Muhiuddin Khan আর তারা ভয়ানক চক্রান্ত করছে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَقَالُوا۟ لَا تَذَرُنَّ ءَالِهَتَكُمْ وَلَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَلَا سُوَاعًا وَلَا يَغُوثَ وَيَعُوقَ وَنَسْرًا
Muhiuddin Khan তারা বলছেঃ তোমরা তোমাদের উপাস্যদেরকে ত্যাগ করো না এবং ত্যাগ করো না ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَقَدْ أَضَلُّوا۟ كَثِيرًا وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا ضَلَٰلًا
Muhiuddin Khan অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। অতএব আপনি জালেমদের পথভ্রষ্টতাই বাড়িয়ে দিন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
مِّمَّا خَطِيٓـَٰٔتِهِمْ أُغْرِقُوا۟ فَأُدْخِلُوا۟ نَارًا فَلَمْ يَجِدُوا۟ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ أَنصَارًا
Muhiuddin Khan তাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى ٱلْأَرْضِ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ دَيَّارًا
Muhiuddin Khan নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
إِنَّكَ إِن تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا۟ عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوٓا۟ إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا
Muhiuddin Khan যদি আপনি তাদেরকে রেহাই দেন, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং জন্ম দিতে থাকবে কেবল পাপাচারী, কাফের।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
رَّبِّ ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِىَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا تَبَارًۢا
Muhiuddin Khan হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যারা মুমিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে-তাদেরকে এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।
এই আয়াতের সব অনুবাদ দেখুন →
← সূরা Al-Ma'aarij
সূরা Al-Jinn →
কোনো বিষয় খুঁজছেন? অর্থভিত্তিক অনুসন্ধান চেষ্টা করুন — আপনার প্রশ্ন ৬,২৩৬ আয়াতে খোঁজা হয়।
→
আরবি পাঠ ও অনুবাদ Tanzil ও QuranEnc -এর মাধ্যমে — হুবহু, অপরিবর্তিত · অনুবাদ তাদের অনুবাদকদের এবং কুরআন নিজে নয়
এটি একটি গবেষণা সহায়ক, ফতোয়ার উৎস নয়।